Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts

Wednesday, December 20, 2017

অত্যাধুনিক ফাইটার জেট তৈরি করতে যাচ্ছে রাশিয়া

অত্যাধুনিক ফাইটার জেট তৈরি করতে যাচ্ছে রাশিয়া


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে নিজেদের আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলছে ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে আগামী বছরই খাবারোব্সকে ফিফথ্ জেনারেশনের এসইউ-৫৭ সুখোই ফাইটার জেট তৈরির কাজ শুরু করতে যাচ্ছে রাশিয়া। এই তথ্য তুলে ধরেন খাবারোব্সকের গভর্ণর ভ্যাশেস্লাভ স্পোর্ত।

চলতি বছরে পরীক্ষা নিরীক্ষার পরই ২০১৮ সালে এই ফাইটার জেট তৈরি করার কাজ শুরু হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে খুবই শিগগিরই এটি তুলে দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে এবং পরিকল্পনা মতোই কাজ চলছে।

২০১০ সালে প্রথম আকাশে ওড়ে রাশিয়ার ফিফথ্ জেনারেশনের টি-৫০ ফাইটার জেট। বর্তমানে ফার্স্ট স্টেজের ইঞ্জিন ১১৭এস রাশিয়ান ফাইটারে রয়েছে। সেকেন্ড স্টেজের নতুন ইঞ্জিনের এখনও নামকরণ করা হয়নি। রাশিয়ার টি-৫০ (পিএকে এফএ) ফাইটার জেটের সিরিয়াল ইনডেক্স এসইউ-৫৭ ডিজাইনের ওপর যে পরীক্ষামূলক কাজ চলছে তা ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সৌদি আরবকে যেভাবে ধর্মীয় শাসনমুক্ত করতে চাচ্ছেন যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান

সৌদি আরবকে যেভাবে ধর্মীয় শাসনমুক্ত করতে চাচ্ছেন যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স অর্থাৎ ভবিষ্যৎ বাদশাহ মুহম্মদ বিন সালমান বলেছেন, তাঁর দেশ আরও উদারপন্থিউন্মুক্তহয়ে উঠবে৷ দেশ থেকে মৌলবাদী ইসলামি আদর্শ দূর' করারও অঙ্গীকার করেন তিনি৷ রিয়াদে বিনিয়োগকারীদের সাথে এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন৷ তিনি বলেন ‘‘আমরা আগে যেমন ছিলাম সেই অবস্থায় ফিরছি- এমন একটি দেশ, যেখানে উদারপন্থি ইসলাম বিরাজমান এবং যেটি সব ধর্মের মানুষজন ও বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত থাকবে,’’ বলেন সালমান৷ ৩২ বছর বয়সি এই ক্রাউন প্রিন্স বলেন, ‘‘আমরা শিগগিরই জঙ্গিবাদের যেটুকু বাকি আছে, তা সমূলে উৎপাটন করব - আমরা ইসলামের উদারপন্থি শিক্ষা ও নীতির প্রতিনিধিত্ব করি৷’’

চলতি বছর বিন সালমান ক্রাউন প্রিন্সের দায়িত্ব পাওয়ার পর সৌদি আরবে নারীরা গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছেন৷ এছাড়া দেশটিতে আবারও সিনেমা হল চালুর অনুমতিও দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে৷ সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স অর্থাৎ ভবিষ্যৎ বাদশাহ মুহম্মদ বিন সালমান বলেছেন, তাঁর দেশ আরও উদারপন্থিউন্মুক্তহয়ে উঠবে৷ দেশ থেকে মৌলবাদী ইসলামি আদর্শ দূর' করারও অঙ্গীকার করেন তিনি৷ এদিকে গার্ডিয়ানের এক নিবন্ধে সৌদি আরবে পরিবর্তনের নানা দিক তুলে ধরা হয়এতে বলা হয়, এ সময় সৌদি আরবে কিছু একটা ঘটছেবহু দশক ধরে সৌদি শাসক পরিবার অঙ্গীকারের নীতি অনুসরণ করেছে, তবে বাস্তবায়ন করেনিতারা তাদের বহুল ক্ষীয়মান বৈশ্বিক ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করার চেষ্টায় সত্যি কথা বলেছে, তবে তাতে ভালো ফল হয়েছে খুব কমতবে এবার ব্যাপারটি সম্ভবত অন্যরকমগার্ডিয়ানের সাথে এক সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান যা বলেছেন তা তার কট্টর ছিদ্রান্বেষীরও দৃষ্টি আকর্ষণ করবেযা ঘটেছে তিনি তা সরাসরি উল্লেখ করে বলেছেন যে, ইরানি বিপ্লব এ অঞ্চলে ধর্মীয় শাসনের সূচনা করেছে এবং সৌদি আরবের এখন তা থেকে মুক্ত হওয়ার সময় এসেছে

মুহম্মদ বিন সালমান বলেনআমরা সেদিকে ফিরে যাচ্ছি যা এক সময় আমরা অনুসরণ করতামতা হচ্ছে মধ্যপন্থার ইসলাম যা বিশ্ব ও সকল ধর্মের কাছে উন্মুক্ততিনি বলেন, ৭০ শতাংশ সৌদির বয়স ৩০ বছরের কমসত্যি বলতে কিআমরা উগ্রপন্থী চিন্তাভাবনার মোকাবেলা করে আমাদের জীবনের ৩০টি বছর অপচয় করব নাআমরা এখনি এবং অবিলম্বে তা ধ্বংস করব

সৌদি যুবরাজ মুহম্মদ একজন দক্ষ বিপণনকারী, পশ্চিমা মিডিয়ার কাছে অত্যন্ত প্রিয়তার কাছের সাংবাদিকরা তাকে প্রায়ই এমবিএস নামে উল্লেখ করেন যা উইকিতে উকি দিলেই টের পাওয়া যাবেতিনি তার দেশের বহুলকাঙ্ক্ষিত রূপান্তরের প্রধান রূপকার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপিত করেছেনচকিতের জন্য মনে হয়েছিল তিনি যা বলছেন তা প্রত্যাশা, সৌদি আরব যেমন ছিল তেমনি থাকবে, তার বেশি কিছু হবে না তবে তার সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ, তার সাথে মহিলাদের গাড়ি চালনার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বলছে যে, প্রিন্স মুহম্মদ ও রাজ পরিবারের যাদের তিনি পক্ষে আনতে পেরেছেন তারা সবাই সিরিয়াসতার প্রকাশ্য অবস্থানকে জ্যেষ্ঠরাও সমর্থন করেছেন, তার মানে এসব তার একার উদ্যোগ নয়

তেলের নিম্নমূল্য এবং বহুমুখিতাহীন অর্থনীতি শাসক রাজপরিবারকে শিখিয়েছে যে রাষ্ট্র তাদের পৃষ্ঠপোষকতা চালিয়ে যেতে পারবে না

তরুণ প্রিন্সের আন্তরিকতাই শুধু চালকশক্তি বলে মনে হয় নাএর পিছনে একটি অর্থনৈতিক দৃঢ়ভিত্তিও ক্রিয়াশীল রয়েছেবহুমুখিতাহীন অর্থনীতিতে তেলের নিম্নমূল্য ক্ষমতাসীন রাজপরিবারকে শিখিয়েছে যে রাষ্ট্রের সার্বিক অর্থভান্ডার আর বেশিদিন রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতার বর্তমান ধারা বহাল রাখতে পারবে নাপুরনো অভ্যাসকে বিসর্জন দেয়া ছাড়া আর ভালো কিছু হতে পারে নাঅতীতে ক্ষমতাসীনদের সার্বক্ষণিক ভুল ছিল যে তারা স্বল্প মেয়াদে ক্ষমতা ধরে রাখার চিন্তা করেছেন, নাগরিকদের জন্য উদার ভর্তুকি প্রদান করেছেন এবং আলেম সমাজের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে তাদের ব্যাপক স্বাধীনতা দিয়েছেন

১৯৯০ ও ২০০০ -এর দশকে আমি সৌদি আরবে বাস করার সময় সৌদি ভূখন্ডে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেধর্মীয় পুলিশ লোকজনকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন করছে, শরিয়া আইন বলবত করছে অন্যদিকে সরকার উগ্রবাদের উত্থান মোকাবেলা করছে, কিন্তু দুইয়ের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন বা মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হচ্ছে- এটা দেখা ছিল এক হতাশাজনক বিষয়তবে তখন থেকে মানুষকে টেনে হিঁচড়ে নামাজে নিয়ে যাওয়া ও মহিলাদের মুখ ঢাকার জন্য হম্বিতম্বি করার বিষয়টির দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্মীয় পুলিশের হাত শিথিল হয়ে আসে

হাউস অব সৌদ সর্বশেষ বিবৃতির সর্বাপেক্ষা বিস্ময়কর দিক হল সৌদি তরুণদের একঘেয়েমি ও নিষ্ক্রিয় অবস্থার প্রসঙ্গ তুলে উল্লেখ করা যে দেশের পরিচালকশক্তি তাদের এ অবস্থা উপলব্ধি করতে পারছে নাপ্রিন্স মুহম্মদ সামাজিক রূপান্তরের ক্ষেত্রে উদারতিনি জোর দিয়ে বলেন, নাগরিক ও রাষ্ট্রের মধ্যে একটি এক নতুন চুক্তি ছাড়া অর্থনৈতিক পুনর্বাসন ব্যর্থ হবে

সৌদি রাজপরিবারের এক জ্যেষ্ঠ সদস্য বলেন, এটা একটি শিশুকে সামাজিক জীবন দেয়ার মততাদের জন্য বিনোদনের একটি সুযোগ থাকা উচিৎতারা একঘেয়েমিতে আক্রান্ত ও অসন্তুষ্টএকজন মহিলার নিজে গাড়ি চালিয়ে কাজে যাওয়া প্রয়োজনতাছাড়া আমরা সবাই ব্যর্থছোট শহরগুলোর মানুষজন ছাড়া সবাই তা জানেতবে তারা শিখবে

সৌদি আরবে উগ্রবাদের ইতিহাস ইরানি বিপ্লব থেকে শুরু হয়নিএ হচ্ছে ধর্মের রূঢ় প্রয়োগের ফল যা হয়েছে কট্টরপন্থী আলেম সমাজকে স্কুল পাঠক্রম থেকে সরকারী আদেশ আইন পর্যন্ত সর্বত্র অবাধ স্বাধীনতা প্রদানের ফলেরাজপরিবারের জন্য তা ভালো হয়েছে এ জন্য যে এটা একটি ধর্মীয় গোষ্ঠিকে তুষ্ট রেখেছে যারা দূরে সরে থাকলে গুরুতর অঘটন ঘটতে পারত (১৯৭৯ সালে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের মক্কা শরীফের অবরোধের মত)এবং তা এক ধরনের স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না

সৌদি অস্থিরতার কেন্দ্রে কি আছে তার প্রকৃত কোনো হিসেব নেইএটি গণতন্ত্রের অভাবের মত মামুলি ব্যাপার নয়, এটা হচ্ছে সেই সত্যের সম্মুখীন হওয়ার ব্যর্থতা যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের ব্যবহার সব সময়ই পাল্টা আঘাত হানেবিষয়গুলো আশাব্যঞ্জক বলে দেখা যায়কিন্তু যদি তা থেকে শিক্ষা নেয়া যায তখনি প্রকৃত আশা সৃষ্টি হয়

Tuesday, December 19, 2017

সন্ধ্যার পরে বোরকা পরেই ট্যাক্সি চালাতে হচ্ছে, সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে রিজওয়ানা

সন্ধ্যার পরে বোরকা পরেই ট্যাক্সি চালাতে হচ্ছে, সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে রিজওয়ানা

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ জরুরি কোনো কাজে যাচ্ছেন। গণপরিবহনে ওঠার জো নেই। রিক্সা বা অন্য উপায়ে গেলেও সময়মতো পৌঁছানো যাবে কিনা সন্দেহ আছে। দ্রুত আর একটু আরামে যাওয়ার জন্যে ট্যাক্সি ক্যাব নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে মনে করলেন। একটা ক্যাব পেয়েও গেলেন। সিটে বসার পর যদি দেখেন ক্যাবের ড্রাইভার বোরকা পরা নারী, তো একটু চমকে উঠবেন নিশ্চয়ই। মুম্বাইয়ে যারা নিয়মিত ট্যাক্সি ক্যাবে যাতায়া করেন, তাদের প্রায়ই চমকে ওঠার অভিজ্ঞতা হচ্ছে।

লক্ষ্নৌতে বেড়ে ওঠা রিজওয়ানা শাইখের বয়স এখন ৩০। তিনি আসলে গৃহিনী। ব্যবসায়ী জোগেশ্বরীর সঙ্গে বিয়ের পর মুম্বাইয়ে চলে আসেন। দিনের আলোতে বাড়িতেই থাকেন।

বাচ্চা-সংসার সামলান। আর আলো নিভলেই বোরকায় জড়ানো ট্যাক্সিচালক হয়ে যান। সাত বছরের এক ছেলে আছে শাইখের। বললেন,  আমাকে ড্রাইভিং সিটে বসা দেখে অবাক হয়ে যান যাত্রীরা।

রক্ষণশীল পরিবারের সন্তান তিনি। তা ছাড়া রাতের মুম্বাইয়ে একজন নারীর ক্যাব চালানো বিপজ্জনক হয়ে উঠতেই পারে। ভয় করে অবশ্য মাঝে মাঝে। অনেক সময় এমন সব লোকজন ওঠে যাদের দেখলে ভয় লাগে। গাড়ি চালাতেই অস্বস্তি লাগে, বললেন শাইখ।

এ পেশায় আসার কারণ অবশ্য রয়েছে। সংসারের উন্নতিতে কিছু আয় করাই তার উদ্দেশ্য। আগে ছিলেন বিউটিশিয়ান। কিন্তু ট্যাক্সি চালিয়ে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার রুপি থাকে। এটা আয়ের দারুণ উৎস।

এ কাজে স্বামী এবং পরিবার আমাকে দারুণ উৎসাহ জোগায়। তা ছাড়া সংসার চালাতে এই আয় অতি জরুরি, বলেন তিনি।

আসলে এখন অনেক নারীই ড্রাইভিং পেশা বেছে নিচ্ছেন। উবার এ বিষয়ে বেশ এগিয়ে। তবে ওলা বা উবারের মতো প্রতিষ্ঠান কত নারীকে এ পেশায় সুযোগ দিয়ে তা খোলাসা করে বলেনি।

ভারতের বেশ কয়েকটা শহরে নারী ড্রাইভারদের সংখ্যা ৪০ শতাংশের মতো বেড়ে গেছে। যদিও সমাজে এখনও নারীরা অনেকে পেশাতেই সহজে নিয়োজিত হতে পারেন না। কিন্তু দিন বদলাচ্ছে। শাইখের মতো রক্ষণশীল পরিবারের নারীরাও ট্যাক্সি ক্যাবের ড্রাইভার হচ্ছেন। তাদের জন্যে আয়ের বড় একটা উৎস এটা।
আগামীতে  ইউরোপের  মতো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করতে ভিসা লাগবে না

আগামীতে ইউরোপের মতো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করতে ভিসা লাগবে না

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে পাঁচ দিনব্যপী আনন্দমুখর বিজয় উৎসবের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর)। এতে উপস্থিত ছিলেন দুই বাংলার দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। কথা হয়েছে তিস্তা ইস্যু নিয়েও।

দিল্লি দূতাবাসের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী তার সমাপনী ভাষণে অনেকটা  এভাবেই বলেন যে, যা ইউরোপ পেরেছে তা আমারও পারবো। আগামী দিন আসছে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাতায়াত করতে ভিসা লাগবে না! আগামীর জন্য যে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তা মোটেও অলীক না। শুধু বাস্তবায়ন হওয়ার পথে।

তিনি বলেন, দুই দেশের নাগরিক পরিচয়পত্র, একটি বিশেষ পদ্ধতির মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলছে বিশ্ব ব্যাংকের মাধ্যমে। যাতে পরিচয়পত্র দেখালেই দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত বিনা ভিসায় সহজেই করা যাবে। আশা করা যায়, এই পরিকল্পনা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। তবে এই ভিসাহীন যাতায়াত হবে ধাপে ধাপে। কূটনীতিক, সরকারি কর্মচারী, সিনিয়র সিটিজেন, অসুস্থ ব্যাক্তি ও সব শেষে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে সীমানার প্রবেশ পথ। এটা আজ স্বপ্ন নয়, প্রক্রিয়াটি পরিকল্পনা মাফিক এগোচ্ছে।

তার বক্তব্য শেষ হতেই দর্শক আসন থেকে কয়েক সেকেন্ড ধরে চলে হাততালি। তিনি আরও বলেন, আমার জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারবো কি না জানিনা। তবে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই বাংলার হেভিওয়েট মন্ত্রী। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও ভারতের পক্ষে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রালয়ের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু কান্যার নেতৃত্বে দেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যেখানে বাংলাদেশের জিডিপি ৭.২৮ শতাংশ সেখানে পাকিস্তানের ৫.২৮ শতাংশ। যেখানে বাংলাদেশে শিক্ষার হার ৭১ শতাংশ, পাকিস্তানের ৫৮ শতাংশ। যেখানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারের মধ্যে ২৮টি সেখানে পাকিস্তানে ৬২। যেখানে বাংলাদেশে গড় আয়ু ৭১.৬ সেখানে পাকিস্তানে ৬৭ বছর।

তিনি বলেন, ওরা (পাকিস্তান) একদিন বলেছিল তাদের ছাড়া নাকি আমদের চলবে না। তারা যত আমাদের বিব্রত করবে, তত আমরা বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাবো। আর তারা তত পেছাবে। বাংলাদেশে সবাই এক। আমরা পরে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমান। আগে আমরা বাঙালি। এটাই আমাদের আসল পরিচয়।

ওবায়দুল কাদের ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়, (ছবি: বাংলানিউজ)

শেষে মিষ্টি বাক্যে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভারত সরকার তিস্তার বিষয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সবরকম সহযোগিতা করবে বলেছে। আমি চাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় আমাদের সহযোগিতা করুক। তিনি শুধু রাজ্যের দিদি নন, আমাদেরও দিদি। আমারও ওনাকে যথেষ্ট ভালোবাসি। আমরা চাই দিদি আমাদের সমস্যাটা বুঝে সহযোগিতা করবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান।
একাধিক পুরুষের যৌনসঙ্গী ছিলেন বেনজির ভুট্টো

একাধিক পুরুষের যৌনসঙ্গী ছিলেন বেনজির ভুট্টো

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ মাথায় ওড়না, পরনে সালোয়ার কামিজ। ছাদ খোলা গাড়ির মধ্যে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়ছেন বেনজির ভুট্টো। আজও তার কথা উঠলে চোখে ভেসে উঠে এই ছবিটিই।

তবে সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে পাকিস্তানে বেনজিরজনপ্রিয় প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জীবনের একটি গোপন অধ্যায়। তিনি অবাধ যৌনতা ও একাধিক পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন বলে ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।

ইনডিসেন্ট করেসপন্ডেন্স: সিক্রেট সেক্স লাইফ অফ বেনজির ভুট্টোনামের একটি বইয়ে বেনজিরের যৌনজীবন নিয়ে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বইটির লেখক রোশন মির্জার দাবি, ব্রিটেনে থাকাকালীন একাধিক পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে অবাধ যৌনতায় মেতে উঠেছিলেন বেনজির। তার সঙ্গীদের মধ্যে পাকিস্তানের এক বিখ্যাত ক্রিকেট তারকা থেকে শুরু করে বয়সে অর্ধেক অখ্যাত পুরুষও ছিলেন।

১৯৫৩ সালে পকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন বেনজির ভুট্টো। তারপর করাচি ও রাওয়ালপিণ্ডি থেকে স্কুলের পাঠ শেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন তিনি।

১৯৭৩ সালে হার্ভার্ড থেকে স্নাতক হওয়ার পর লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন বেনজির। সেখান থেকেই অন্যখাতে বইতে শুরু করে তার জীবন। প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন পাকিস্তানি ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের সঙ্গে। দুজনের যৌনঅন্তরঙ্গমুহূর্ত নিয়ে নিজের আত্মজীবনীতে মুখ খুলেছেন ইমরান।

১৯৮৭ সালে আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে বিয়ের পর পাকিস্তানের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে গদিতে বসেন বেনজির।

নিজের বইয়ে মির্জা দাবি করেছেন, আমেরিকায় নিযুক্ত তৎকালীন পাক রাষ্ট্রদূত শেরি রেহমান নাকি বেনজিরের জন্য সেক্স পার্টির আয়োজন করতেন। সেখানে নিজেদের বিকৃত যৌন লালসা চরিতার্থ করতেন অনেক প্রভাবশালীরাই। এমনকি নিজের সঙ্গী বদল করে অবাধ সঙ্গমও নাকি হত সেখানে। এ ছাড়াও ওমর নামের বয়সে প্রায় অর্ধেক বয়সের এক মরোক্কান যুবকের সঙ্গেও নাকি প্রায়ই সঙ্গমে লিপ্ত হতেন বেনজির। শুধু তাই নয়, ওই যুবককে দিয়ে নিজের কামনা পূর্ণ করতেন শেরি রেহমান নিজেও।

এ ছাড়াও আমেরিকা ও লন্ডনে বেনজিরের বাড়িগুলিতেও নাকি চলত সেক্স পার্টি

বিতর্কিত বইটির লেখকের দাবি, প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত যৌনজীবনের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে তার কাছে। তবে যাই হোক না কেন, ২০০৭ সালে তাকে হত্যা করা হলেও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি তার।