Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Wednesday, December 20, 2017

প্রধানমন্ত্রীকে আইনি নোটিস পাঠাতে পারে বিএনপি

প্রধানমন্ত্রীকে আইনি নোটিস পাঠাতে পারে বিএনপি


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিএনপি আইনি ব্যবস্থার ‍ হুমকি দেয়ার ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও দলটি কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। এমনকি এ বিষয়ে দলটির নেতারা কিছু বলছেনও না। তবে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী। ওই আইনজীবী নেতা জানিয়েছেন, কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, কীভাবে আগান যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

তবে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী যে অভিযোগ তুলেছেন, তার জন্য তার বিরুদ্ধে মামলা টিকবে না। তিনি বলেছেন, একটি মিডিয়ার সংবাদের ভিত্তিতে কথা বললে মামলা করতে হয় ওই মিডিয়ার বিরুদ্ধে, যিনি বলেছেন তার বিরুদ্ধে নয়।

আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা সাংবাদিক দেরকে বলেন, বিএনপি আদৌ এ ধরনের কিছু করবে বলে তারা বিশ্বাস করেন না। ওই নেতা বলেন, ‘বিএনপি আদালতে গেলে তাদের জন্যই বিষয়টি সুখকর হবে না। কারণ, তখন আদালত বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। আর এতে বিএনপি আরও বেকায়দায় পড়বে।

গত ৭ ডিসেম্বর কম্বোডিয়া সফর নিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার এবং সৌদি আরবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে আওয়ামী লীগের নেতারাও ক্রমাগত এ নিয়ে কথা বলে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পরদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। নইলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কি বিএনপি আসলেই আইনি ব্যবস্থা নেবে? জানতে চাইলে দলের চাইলে যুগ্ম মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মাহবুব উদ্দীন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইনগত ব্যবস্থার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি বিষয়টি জানতে পারবেন।
কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছেন, এমন প্রশ্নে খোকন বলন, ‘সরকারে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে ৩০ দিন আগে তাকে নোটিস দিতে হবে। এরপর তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও সেটা প্রযোজ্য। শুধুমাত্র দায়িত্ব পালনরত রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারী মামলার করা যায় না। আমরাও হয়ত সেভাবেই আগাব।

জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে বিএনপি রংপুরের সিটি নির্বাচন এবং খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা নিয়ে ব্যস্ত। অচিরেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর সেটা যখন নেব, মিডিয়াকে জানিয়ে দেব। কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা করছে বিএনপি-এমন প্রশ্নে দুদু বলেন, ‘আমরা মামলা করব।বিএনপির হুমকি গায়ে মাখেননি প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপির আইনি ব্যবস্থার হুমকি যে প্রধানমন্ত্রী গায়ে মাখেননি সেটি বিজয় দিবস এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনায় ১৭ ডিসেম্বর আবারও খালেদা জিয়ার বিদেশের কথিত সম্পদের প্রসঙ্গ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

৭ ডিসেম্বর তোলা প্রসঙ্গ প্রত্যাহার বা ক্ষমা চাইতে বিএনপির দাবি যে প্রধানমন্ত্রী পাত্তা দেননি, সেটি সেদিন তার বক্তব্যেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘এক সময় ভাঙা সুটকেস খেকে জাহাজ বেরিয়েছে কোকো-১, কোকো-২, ইন্ডাস্ট্রি বেরিয়েছে, এখন আবার দেখি শপিং মল বেরুচ্ছে, ফ্লাট বেরুচ্ছে, হাজার হাজার কোটি টাকা বেরুচ্ছে।
বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেয়ার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দুই দফা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। ৯ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনা যা বলেছেন জেনেশুনে বলেছেন। তথ্য প্রমাণ আছে বলেই বলেছেন।

১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবার বলেন, ‘যখন দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে যে কথা বের তা না জেনে, না শুনে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) অন্ধকারে ঢিল ছুড়েন না।

সংবাদ সম্মেলনে মূলত খালেদা জিয়া এবং তার পরিবার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিও নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। একটি বিদেশি টেলিভিশনের সংবাদ হিসেবে ছড়ানো ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে খালেদা জিয়া সৌদি আরবে আল আরাফাহ নামে একটি শপিং মল এবং একটি বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের মালিক। তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর নামে কাতারে আরও একটি বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। খালেদার পরিবার ১২টি দেশে ১২ বিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় এক লাখ কোটি টাকার মালিক বলে ওই ভিডিওতে বলা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, সৌদি আরবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে খালেদা পরিবারের এই সম্পদ খুঁজে পাওয়া গেছে।
প্রধানমন্ত্রী অবশ্য গত সেপ্টেম্বরেও জাতীয় সংসদে সৌদি আরবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু সে সময় বিষয়টি নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি।

৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী আবার প্রসঙ্গটি তোলার পরদিন বিএনপির পক্ষ থেকে করা সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর তারা সৌদি আরবে এই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন। কিন্তু সেখানে জিয়া পরিবারের সম্পদ থাকার মতো কোনা তথ্য পাননি। এই সংবাদ সম্মেলনেই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমে আসা সংবাদ নিয়ে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে যদি আইনগত ব্যবস্থা নিতে হয় তাহলে ওই পত্রিকার বিরুদ্ধে নেবে। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেবে?’

Tuesday, December 19, 2017

জোটবদ্ধ হয়ে জামায়াতের নির্বাচন ঠেকাতে ইসিতে আবেদন

জোটবদ্ধ হয়ে জামায়াতের নির্বাচন ঠেকাতে ইসিতে আবেদন


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ নিবন্ধন বাতিল হওয়া স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াত নেতারা যেন জাটবদ্ধ হয়ে অন্য দলের প্রতীকে বা অন্য দলে যোগ দিয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন-এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তিনটি বাম দল।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক করে এই অনুরোধ জানায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।

দলগুলোর নেতারা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন সিইসির সঙ্গে। এ সময় তারা আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ১৮টি দাবি তুলে ধরেন। এই দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল জামায়াতের ভিন্ন কৌশলে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ বন্ধ করে দেয়া।

একটি ধর্মভিত্তিক দলে আবেদনের পর ২০১৩ সালের ১ আগস্ট জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে উচ্চ আদালত। এই রায়ের পর দলটি আর কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। তবে দলের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

আবার জাতীয় নির্বাচনে অনিবন্ধিত দলের কোনো নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হিসেবে ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ আছে। জামায়াত যেহেতু বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ তাই বিএনপির ধানের শীষ বা জোটের অন্য কোনো নিবন্ধিত শরিকের প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ আছে জামায়াতের। আর এই সুযোগটাই বন্ধ করে দিতে চাইছে সিপিবিসহ তিন দল।

বৈঠক শেষে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, হাইকোর্টের আদেশে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু দলটির নেতারা যেন অন্য দলে যোগ দিয়ে সে দলের নমিনেশন না নিতে পারে। এ কথাটি আমরা জোর দিয়ে বলেছি।
সেলিম বলেন, ‘আমরা ইসির কাছে প্রস্তাব দিয়েছি যে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হতে হলে কোন ব্যক্তিকে কমপক্ষে পাঁচ বছর সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে সক্রিয় থাকতে হবে। এ ব্যবস্থা যেন ইসি করে।

নির্বাচনের আগে কেউ একটি দলে যোগ দিল আর সে দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করল- এমন যেন না হয়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য জামানতের পরিমাণ সার্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা করারও দাবি জানায় তিন বাম দল। সেলিম বলেন, ‘জামানতের পরিমাণ বেশি থাকলে সবাই নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। শুধু যাদের টাকা আছে তারাই অংশ নিতে পারে। যেটা পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগাদাও দেন বাম নেতারা। সিপিবি সভাপতি বলেন, ‘কেউ অভিযোগ করুক আর না করুক ইসির দায়িত্ব হলো ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। নির্বাচনকালীন সময় কমিশনকে অনেক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এ সময় নির্বাহী ক্ষমতার একটা প্রধান অংশ ইসির অধীনে থাকে। অর্থাৎ প্রচলিত সরকারের হাতে আর এ ক্ষমতা থাকে না।

সেলিম বলেন, ‘নির্বাচনী ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করতে হবে। এর জন্য একটা শক্তিশালী আন্দেলন দরকার হবে। আমরা সেই আন্দোলন অগ্রসর করে নিয়ে যাব।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ইসি চলছে কি না সেটাও আমরা দেখব। জনগণের পক্ষ থেকে আমরা দেখব তাদের ইচ্ছের প্রতিফলিত হচ্ছে কি না। যদি না হয় প্রয়োজনে আমরা ইসি ঘেরাও করব।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীরা ব্যয়সীমার অতিরিক্ত খরচ করছেন অভিযোগ করে এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোরও তাগিদ দেন বাম নেতারা।
নির্বাচন কমিশনে তিন বাম দলের ১৮ প্রস্তাব
১. সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী জামানত পাঁচ হাজার টাকা করতে হবে।
২. ভোটার তালিকার সিডি বিনামূলে দিতে হবে।
৩. সকল প্রর্থীর টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিবর্তে আয়করযোগ্যদের টিআইএন বাধ্যতামূলক করা।
৪. অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের সুবিধা।
৫. তফসিল ঘোষণার পর বেসমারিক প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনীসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, অর্থসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধায়নে চলবে।
৬. রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হলে কমপক্ষে পাঁচ বছর দলে সক্রিয় সদস্য হতে হবে।
৭. মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে।
৮. প্রতি এলাকায় ইসি প্রার্থীদের পরিচিত সভা করবে।
৯. প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় তিন লাখ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
১০. প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় মনিটরিং করতে হবে।
১১. নির্বাচনী আয়-ব্যয়ের হিসাব ভোটের সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে। নয়ত নির্বাচিতদের শপথ বন্ধ করতে হবে।

১২. নির্বাচনে যেকোন ধরনের পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
১৩. নির্বাচনে ধর্মের অপব্যবহার ও সাম্প্রদায়িকতা কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।
১৪. প্রাচারণ যে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আছে তার যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া আচরণ বিধি লঙ্ঘনকারীদের প্রার্থিতা বাতিল করতে হবে।
১৫. সীমনা নির্ধারণ স্বচ্ছ করা এবং ভোটারের সম সংখ্যার ভিত্তিতে সীমানা নির্ধারণ করা।

১৬. ভোটকেন্দ্রের তালিকা নির্বাচনে দুই সপ্তাহ আগে প্রার্থীদের দিতে হবে।
১৭. ইভিএম চালু না করা।

১৮. আরপিওর অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিকধারা বাতিল করা। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের বিধান বাতিল করতে হবে।

Sunday, December 17, 2017

লালমনিরহাটে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আ.লীগে যোগ দিলেন

লালমনিরহাটে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আ.লীগে যোগ দিলেন

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ফিরোজুর রহমান শতাধিক নেতাকর্মীসহ আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন

রোববার সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনের সাংসদ ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ফিরোজুর রহমান বিএনপির শতাধিক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম নারী আসনের সাংসদ ও লালমনিরহাট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল হক, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান

আওয়ামী লীগে যোগদানের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ফিরোজুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা আওয়ামী লীগে যোগদান করেছি

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা বলেন, ফিরোজুর রহমান র্দীঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় নয়বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির কোনো কমিটিতে নেই
বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন মেনে নেবে

বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন মেনে নেবে

স্বদেশ বার্তা ডেস্কঃ আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলে সেই নির্বাচনে জনগণ যে রায় দেবে, তা বিএনপি মেনে নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


বিএনপি নেতো আরো বলেন, ‘যে লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও তা অর্জন হয়নি। গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত। জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে।সরকার অন্যায়, অবৈধভাবে শাসন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করার সকল ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করছে।

ফখরুল বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। বিএনপি চেয়ারপারসন যাতে সময়মতো জিয়ার মাজারে পৌঁছাতে না পারে সে জন্য পথে পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হয়েছে।

মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় দলের নেতাদের আরো উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী ক‌মি‌টির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, ডা. জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।